Spread the love

আমাদের প্রচলিত প্রজনন  স্বাস্থ্য সেবাসম্মুহ শুধুমাত্র বিবাহিত নারীপুরুষের জন্য উপযোগী  । তাই অবিবাহিতদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের আলাদা স্বাস্থ্য সেবা প্রয়োজন ,যাতে করে অনিরাপদ গর্ভপাত , মৃত্যু হাড় এবং মৃত্যু ঝুকি রোধ করা সম্ভব হয়  । পরিবার পরিকল্পনা হোক সবার জন্য উন্মুক্ত ,এটি ব্যাতিত প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভবপর নয় ।  কিশোর কিশোরীরা হয়তো পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে বা জানতে অনাগ্রহী হতে পারে, অস্বস্থিতে পড়তে পারে ,তাই কিশোর কিশোরীদের উপযোগী প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবী ।

কিশোর কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে  পর্যাপ্ত এবং পরিপূর্ন জ্ঞ্বান দিতে হলে তাদেরকে সবার প্রথমেই বয়সঃন্ধিকালের সব শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তনের সাথে বৈজ্ঞ্বানস্মমত উপায়ে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। এতে করে তারা নিজেদের ব্যাপারে জানতে পারবে ।নিজেদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভ করবে । বয়সঃন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যত রকম শারীরিক পরিবর্তন আসে এবং সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় যেসব মানষিক পরিবর্তন আসে ,সেসব ব্যাপারে তারা যখন জানতে পারবে ,ঠিক তখনি তারা নিজেদের পরিবর্তনকে সহজভাবে গ্রহন করতে পারবে এবং সব দ্বিধা ভুলে সামনের দিকে  এগিয়ে যেতে পারবে।তাই কিশোর-কিশোরীদের উপযোগী প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার আগে সবচেয়ে জরুরী হলো তাদেরকে বয়ঃসন্ধিকাল সম্পর্কে সঠিক ধারনা দেয়া। পরিবার ,শিক্ষক এবং সর্বপূরী আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় ও সিলেবাসে কিশোর-কিশোরীদের বোঝার উপযোগী প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় নতুন ভাবে নিয়ে আসতে হবে আর প্রজনন স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল করে তোলার মাধ্যমেই আমরা  তাদেরকে তাদের পরবর্তী জীবনের পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করতে পারি ।

সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের বাস্তবতা ভিন্নখাতে প্রবাহিত হচ্ছে । তাই প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা থেকে শুরু করে পরিবার পরিকল্পনা এবং এর পদ্ধতি সম্মুহ কিশোর-কিশোরীদের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলতে হবে, মা-বাবা কে তার ছেলেমেয়েদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় অভ্যস্থ হতে হবে, শিক্ষক –শিক্ষিকাদের সহজ উপায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পাঠদানে এগিয়ে আসতে হবে ।এতে করে ছোটো বয়স থেকেই তারা নিজেদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং পরবর্তী জীবনে নিজেদেরকে অনেক ঝুকি থেকে রক্ষা করতে পারবে।